সত্যতা যাচাই করে মন্তব্য করুন- বানী ইয়াসমিন হাসি

শারমিন আপুর প্রতি কতটা অন্যায় করা হলো সেটা নিয়ে গতকাল দুপুর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বেশ সরব। ব্যাপারটা ভালো লাগছে। কোন একটা বিষয় সম্পর্কে পুরোটা না জেনে যারা শারমিন আপুর চরিত্র হনন করলেন পরবর্তীতে সত্যিটা জেনে নিজেদের পোস্ট হাইড বা ডিলিট করলেন তাদের উপর আমার কোন রাগ বা ক্ষোভ নেই। খারাপ লাগছে কোথায় জানেন যারা শারমিন আপুকে কাছ থেকে দেখেছেন তারাও স্রোতে গা ভাসালেন। একটুও অপেক্ষা করলেন না, সত্যিটা প্রমাণের। কে কত দ্রুত হাত ঝেড়ে ফেলতে পারেন তার একটা নির্মম প্রতিযোগিতা করলেন।

শারমিন আপুকে যে বলির পাঠা বানানো হয়েছে সেটা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্কার হয়ে যাবে। আমার মাথা ঠিক নেই। একটু স্থির হয়ে গুছিয়ে সবটা লিখবো। আগেও বলেছি আবারও বলছি, কামড়াকামড়ি বাদ দিয়ে নিজেরা এক হোন। ব্যারিস্টার সাজ্জাদ হোসেন যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি তখন আজকের প্রধানমন্ত্রী আমাদের আপা সাজ্জাদ ভাইকে ব্যারিস্টারী পড়তে ইংল্যান্ড পাঠিয়েছিলেন। উনার মত মেধাবী পরীক্ষিত সজ্জন মানুষ কিন্তু পরবর্তীতে আপার কাছে থাকার সুযোগ পান নি। কারণ সাজ্জাদ ভাইদের কথা আপাকে মনে করিয়ে দেওয়ার মতন কেউ নেই আপার আশেপাশে।

অন্যের সমালোচনা করার আগে আত্মসমালোচনা করেন। আপার ‌কার্যালয়ে ছাত্রলীগের জায়গা নেই এর পুরোটা দায় আপনাদের কামড়াকামড়ির।

(গত বছরের আজকের এই দিনের লেখা। আমাদের শারমিন আপুকে সত্যিই বলির পাঠা বানানো হয়েছিলো। উনি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন।)

লেখক: বানী ইয়াসমিন হাসি

সম্পাদক ও প্রকাশক

বিবার্তা ২৪ ডট নেট ও জাগরনী টিভি।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন