হেলেনা জাহাঙ্গীর মহিলাটা একটা সাইকো, অহংকারী


হেলেনা জাহাঙ্গীর মহিলাটা একটা সাইকো,অহংকারী।তাই বলে প্রশাসন লাগতে হলো সাংগঠনিক ব্যবস্হার জন্য..‼️‼️

এ মহিলা ব্যবসা করে আসছে, কিন্তু সে রাজনীত করতে যে আসছে সেখানে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বলতে কিছু আছে তা তার জানা ছিলো না।।

তার মধ্যে ছিলো অহংকার।

তার অহংকারের কারনেই তার আজ এ পরিনতি।।

সে যখন একটি ভুঁইফোঁড় সংগঠন নিয়ে পোস্ট করছিলো তখন তার উচিৎ ছিলো সে পোস্ট সরিয়ে তার যে ভুল হয়েছে & দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছে তার জন্য দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চেয়ে নেওয়ার।

সে তা না করে উল্টো মিডিয়াতে গিয়ে আরও দাম্ভিকতা সাথে এটা নিয়ে কথা বলতেছে। সর্বশেষ সে যে দলের উপকমিটি পদ পাইছে সে দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা  করার হুমকি দিয়ে বসে।।

এ মহিলা একে তো রাজনৈতিক শিষ্টাচার বুঝে না,সে সাথে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নাই বলে যে তার ভুল হইছেতা নিয়ে কোন অনুশোচনা নাই।

সে যদি তার ভুল স্বীকার  & ভুলের জন্য অনুশোচনা করতো। তাহলে তার জন্য আজ পরিস্হিতি দাড়াতো না।।

আমি একজন আওয়ামী পরিবারের সদস্য হিসেবেহেলেনা জাহাঙ্গীরকে প্রশাসনের মাধ্যমে সাংগঠনিক ব্যবস্হার একটি অংশ হিসেবে নেওয়া এমন কাজকে মোটেই সমর্থন করি না।

কারন এটি একটি দলের সাংগঠনিক কোন ব্যবস্হা কোনভাবে প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্হা গ্রহন করা হতে পারে না। বরং এটার মাধ্যমের দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকাশ পায়।

প্রশাসনের সহায়তা যখন সাংগঠনিক ব্যবস্হা নেওয়া হয় তখন বুঝা যায় সংগঠনের সাংগঠনিক অবস্হানের কথা।

হেলানা জাহাঙ্গীরের যে অপরাধ সেটা নরমালি সাংগঠনিক ভাবে নেওয়া যায়।এখানে প্রশাসন জড়িৎ করা... হচ্ছে রাজনীতির মশা মারতে কামান ব্যবহার করা।

এখন মুল কথা হলো...

যাদের মাধ্যমে হেলেনা জাহাঙ্গীর,মনির, শাহেদ, পাপিয়া এরা এসেই আওয়ামীলীগের পদ পাইছে & এদের প্রশ্রয়দাতা ঐ সকল নেতাদেরর বিরুদ্ধে এ রকম ব্যবস্হা আগে নিতে হবে।

তা না হলে গ্রাম্য ভাষায় একটা কথা আছে

"ঘুরে ফিরে বটের তল"

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন